Header Ads

Header ADS

ঔষধ প্রতিনিধি

 জীবন রক্ষাকারী ঔষধগুলোর মধ্যে সবথেকে আশ্চর্যজনক আবিস্কার অথবা আল্লাহপাকের অশেষ রহমাত  হচ্ছে জিবানুবিরোধী ও ভাইরাস বিরোধী প্রতিষেধক। 


মহামারী ও অতি মৃত্যুকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য এসব প্রতিষেধক বিশেষভাবে দায়ী। কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করি সে সব নোবেল বিজয়ীদের যারা মেডিসিনের উপর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বিশেষ করে এন্টি বায়োটিকের উপর । 


বিশ্বাস করি বা না করি এইসব  এন্টি বায়োটিক আবিস্কারের ফলে মিলিয়ন -মিলিয়ন পিপুলের জীবন রক্ষা পেয়েছে। 


যখন ডাক্তার বাবু কট্রাইমক্সাজল দেওয়ার পরেও জ্বর ও নিউমোনিয়ায় কোন অন্ত খুঁজে পাচ্ছিলেন না তখন ডাক্তার ও প্যাসেন্টের মধ্যে চলে প্রচন্ড মনোস্তাত্বিক যুদ্ধ। এমন কঠিন সময়ে আশীর্বাদ হয় কাছে আসে এ্যামোক্সাসিলিন নামক এন্টি বায়োটিক, সেভ করে লক্ষ -লক্ষ জীবন। যে বা যারাই এই এন্টি বায়োটিক আবিস্কার করুক উদ্দেশ্য ছিল মহৎ ।



জাত-পাত ধর্ম বর্ণ ভুলে গিয়ে  সকল স্তরের মানুষের জীবন রক্ষাকারী ঔষধের গুনাগুণ এই সব এম,আর অর্থাৎ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ ডাক্তারের কাছে তুলে ধরেন। 

আগের ঔষধটি শুধু এ্যারবিক কাভার করত আর বর্তমানের নতুন ঔষধটি এনারোবিক ব্যাকটিরিয়াও কভার করে । 


অথবা, নতুন জলাতঙ্ক প্রতিষেধক  এবং এর ডোজ অথবা সেফার এন, এস, এই, ডি অথবা গর্ভকালীন মায়ের প্রেগন্যান্সি ফ্রেন্ডলি ট্রিটমেন্ট এসব মেডিকেল রিলেটেড ইনফরমেশন গুলো এম,এর মাধ্যমে ডাক্তারের কাছে চালিত হয় । 



 স্ট্রেন্থ, ডোজ, প্রিকওশন প্রভৃতি বিষয়গুলো ডাক্তারের কাছে এম, আর’গনের মাধ্যমে পৌছাত। 


এসব কিছুর পরেও সেল্স নিয়ে সারাদিন ব্যস্ত সময় পার করতে হয় আমাদের। 


ঢাকা মেডিকেলের ঢালাও অভিযানে ঐ দিনের ঘটনায় এম, আর’দের দালাল হিসেবে চিহ্নিত করা ও গ্রেফতার করার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। 



 

এটা একটা ট্রেন্ডিং জব সময় সচেতন সবাই বুঝতে পারবে বর্তমানে নিজের অবস্থান ধরে রাখা কত কঠিন। 

বর্তমানে সময়ে গ্লোবাল ইনফ্লাশনের ছাপ সর্বত্র ।  কর্তাব্যক্তিরা অধিক মূল্যে র-মেটেরিয়াল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন সেবাধর্মী এই অর্গানাইজেশন সছল‌ রাখার জন্যে। 

আমাদের কাজ হচ্ছে ইনফরমেশন ডেলিভারি ও সেল্স। 



বর্তমান সময়ে এম, আর’দের পরিপূরক ইনফর্মেশন নেটের মাধ্যমে ডাক্তারগন পেয়ে থাকেন। এমনকি একজন অনারি ব্যক্তিও জানতে পারেন। 


পূর্বের মত ডাক্তারের ইনফরমেশন পেতে তেমন বেগ পেতে হয় না। হাতের নাগালের প্রচুর সোর্স থাকে যেমন গুগল, এ,আই, মাল্টিপল মেডিকেল এ্যাপস ইত্যাদি । 


সে ক্ষেত্রে আমাদের পান্ডিত্বও অনিবার্য নয়।


যার যার অবস্থানে থেকে  একটু সচেতন সজাগ থাকাটাও দরকার। আমরা এতগুলো এম, এর কর্তব্য কর্ম করতে গেলে ভুল ভ্রান্তি হতেই পারে । কারণ মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। তাই যাতে ভুল না হয় সে দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখব।



ব্যাবসা বাণিজ্যের অবস্থা ছেড়ে দে মা কাইন্দা বাঁচি অবস্থা। এমন পরিস্থিতি তৈরি না করি যা আমাদের খারাপ পরিস্থিতির জন্য আমরা নিজেরাই দায়ী থাকি । কারণ আমাদের প্রত্যেকের পরিবারের প্রতি সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে। 


তাই সহনশীলতা ও নমনীয়তাই একমাত্র পাথেয় ।







No comments

Powered by Blogger.